বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)-র পর এ বার পাকিস্তানি সেনার ওপর হামলা চালানোর দাবি করেছে বালোচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট (বিএলএফ)-এর মহিলা শাখা ‘করিমা আর্মড অ্যাসল্ট ডিভিশন’ (কাদ)। সংগঠনটির দাবি, বালোচিস্তানের কেচ জেলার তুরবাত শহরে পাকিস্তানি সেনার একটি কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্সের (কিউআরএফ) কনভয়ে হামলায় অন্তত ৯ জন সেনা নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার হামলার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে বিএলএফের মিডিয়া শাখা ‘আশব’। ভিডিওতে দেখা যায়, পাকিস্তানি সেনার কনভয়ে হামলার আগে ‘করিমা আর্মড অ্যাসল্ট ডিভিশন’-এর এক নারী কমান্ডার যোদ্ধাদের নির্দেশ দিচ্ছেন।
বিএলএফের দাবি, সোমবার তুরবাতের পাহাড়ি এলাকায় পাকিস্তানি সেনাদের কনভয় লক্ষ্য করে হামলার ফাঁদ পাতে ‘কাদ’। অভিযানে তাদের সহায়তা করতে পুরুষ যোদ্ধাদের এলিট বাহিনী ‘কুরবান ইউনিট’-এর সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়েছিল।
তবে হামলায় নিজেদের তিন যোদ্ধা নিহত হওয়ার কথাও জানিয়েছে বিএলএফ।
চলতি মাসেই বালোচিস্তানের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র রাজনৈতিক সংগঠনটি তাদের মহিলা শাখা ‘করিমা আর্মড অ্যাসল্ট ডিভিশন’ গঠনের ঘোষণা দেয়। কানাডায় ২০২০ সালে রহস্যজনকভাবে মারা যাওয়া বালোচ মানবাধিকারকর্মী করিমা বালোচের স্মরণে নতুন এই মহিলা শাখার নামকরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএলএফ। করিমা বালোচের মৃত্যুর ঘটনায় পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, যদিও বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আরেক বালোচ বিদ্রোহী সংগঠন বিএলএ-র মাজিদ ব্রিগেডের দুই নারী সদস্য পাকিস্তানের নুশকিতে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের একটি স্থাপনায় আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
বালোচিস্তানের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা সাম্প্রতিক সময়ে আরও বেড়েছে। চলতি বছরের মার্চে বিএলএ ও বিএলএফের মধ্যে জোট গঠনের খবর প্রকাশ্যে আসে। পরে বালোচ রিপাবলিকান গার্ডস (বিআরজি) এবং সিন্ধুপ্রদেশভিত্তিক বিদ্রোহী সংগঠন সিন্ধুদেশ রেভলিউশনারি আর্মি (এসআরএ)-কে নিয়ে বৃহত্তর একটি যৌথ মঞ্চ গঠনের কথাও জানা যায়।
এর পর থেকে পাকিস্তানের নিরাপত্তাবাহিনী ও বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলার ঘটনা ঘটছে। তবে এসব হামলা ও হতাহতের বিষয়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর দাবির পাশাপাশি পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের ঘটনাগুলোর স্বাধীনভাবে যাচাই অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে
মঙ্গলবার হামলার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে বিএলএফের মিডিয়া শাখা ‘আশব’। ভিডিওতে দেখা যায়, পাকিস্তানি সেনার কনভয়ে হামলার আগে ‘করিমা আর্মড অ্যাসল্ট ডিভিশন’-এর এক নারী কমান্ডার যোদ্ধাদের নির্দেশ দিচ্ছেন।
বিএলএফের দাবি, সোমবার তুরবাতের পাহাড়ি এলাকায় পাকিস্তানি সেনাদের কনভয় লক্ষ্য করে হামলার ফাঁদ পাতে ‘কাদ’। অভিযানে তাদের সহায়তা করতে পুরুষ যোদ্ধাদের এলিট বাহিনী ‘কুরবান ইউনিট’-এর সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়েছিল।
তবে হামলায় নিজেদের তিন যোদ্ধা নিহত হওয়ার কথাও জানিয়েছে বিএলএফ।
চলতি মাসেই বালোচিস্তানের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র রাজনৈতিক সংগঠনটি তাদের মহিলা শাখা ‘করিমা আর্মড অ্যাসল্ট ডিভিশন’ গঠনের ঘোষণা দেয়। কানাডায় ২০২০ সালে রহস্যজনকভাবে মারা যাওয়া বালোচ মানবাধিকারকর্মী করিমা বালোচের স্মরণে নতুন এই মহিলা শাখার নামকরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএলএফ। করিমা বালোচের মৃত্যুর ঘটনায় পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, যদিও বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আরেক বালোচ বিদ্রোহী সংগঠন বিএলএ-র মাজিদ ব্রিগেডের দুই নারী সদস্য পাকিস্তানের নুশকিতে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের একটি স্থাপনায় আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
বালোচিস্তানের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা সাম্প্রতিক সময়ে আরও বেড়েছে। চলতি বছরের মার্চে বিএলএ ও বিএলএফের মধ্যে জোট গঠনের খবর প্রকাশ্যে আসে। পরে বালোচ রিপাবলিকান গার্ডস (বিআরজি) এবং সিন্ধুপ্রদেশভিত্তিক বিদ্রোহী সংগঠন সিন্ধুদেশ রেভলিউশনারি আর্মি (এসআরএ)-কে নিয়ে বৃহত্তর একটি যৌথ মঞ্চ গঠনের কথাও জানা যায়।
এর পর থেকে পাকিস্তানের নিরাপত্তাবাহিনী ও বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলার ঘটনা ঘটছে। তবে এসব হামলা ও হতাহতের বিষয়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর দাবির পাশাপাশি পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের ঘটনাগুলোর স্বাধীনভাবে যাচাই অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে
আন্তজার্তিক ডেস্ক